শিরোনাম: অন্য কারো উপন্যাসের মায়াবতী
বয়সটা ছিল ষোলো, তারিখটা ছিল রবিবার। হাতে ছিল এক রক্তিম লাল গোলাপ, আর বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে বের হয়েছিলাম এক মায়াবতীর খোঁজে।
সারাটা দিন খুঁজেছি তাকে, হাজারো মুখের ভিড়ে খুঁজেছি তার মায়াভরা মুখ। সময় গড়িয়ে বিকেল হলো, সূর্যটাও ডুবে যাওয়ার অপেক্ষায়, তবুও আমার খোঁজ শেষ হয়নি।
অবশেষে দিনশেষে খুঁজে পেলাম তাকে, যার খোঁজে এতটা পথ পাড়ি দেওয়া। তাকে দেখে মনে হয়েছিল, আমার গল্পের নায়িকাকে বুঝি অবশেষে খুঁজে পেলাম।
হাতে ছিল গোলাপ, মনে ছিল হাজারো না-বলা কথা। ইচ্ছে ছিল তাকে বলব, তোমাকে নিয়েই আমার সব কল্পনা।
কিন্তু আফসোস! সে তো অন্য কারো গল্পের নায়িকা। আমি তাকে আমার উপন্যাসে লিখতে চেয়েছিলাম, অথচ সে অন্য কারো উপন্যাসে লেখা ছিল।
সৃষ্টিকর্তা তাকে আমার নসিবে লেখেননি, লিখে রেখেছিলেন অন্য কারো ভাগ্যে।
তাই তাকে খুঁজে পেয়েও নিজের করে পাওয়ার সৌভাগ্য হলো না। হাতে থাকা গোলাপটা আর দেওয়া হলো না, বুকের ভেতর জমে থাকা কথাগুলোও কখনো তার কাছে পৌঁছাল না।
সেদিন বুঝেছিলাম, সব খোঁজের শেষ ঠিকানা পাওয়া নয়, কিছু খোঁজের শেষ হয় একটা অসমাপ্ত গল্পের মাধ্যমে।
যে মায়াবতীকে খুঁজতে বের হয়েছিলাম, তাকে পেয়েছিলাম ঠিকই, শুধু আমার গল্পের নায়িকা হিসেবে নয়— অন্য কারো উপন্যাসের মায়াবতী হিসেবে। 🥀📖
