নীলশৈল গ্রামের কিশোর আরিন জানত না, তার জীবনে এক ভয়ংকর রহস্য লুকিয়ে আছে। নিজের ষোলোতম জন্মদিনের রাতে আকাশের চাঁদ কালো হয়ে গেল। একই সঙ্গে তার হাতে জ্বলে উঠল একটি নীল চিহ্ন।
তার বাবা রায়ান ছুটে এসে বললেন, “আরিন, যদি আমাকে হারিয়ে ফেলিস, উত্তরের বনে যাবি। এই চাবি দিয়ে পাথরের দরজাটা খুলবি।”
হঠাৎ অন্ধকার থেকে বেরিয়ে এল কালো পোশাক পরা এক রহস্যময় ব্যক্তি।
“অবশেষে শেষ উত্তরাধিকারীকে খুঁজে পেলাম!”
রায়ান ছেলেকে আড়াল করতেই নীল আলোয় ঘর কেঁপে উঠল। পরমুহূর্তে আরিনের বাবা অদৃশ্য হয়ে গেলেন।
আরিন চিৎকার করে বলল, “আমার বাবাকে কোথায় নিয়ে গেছিস?”
লোকটি হেসে বলল, “তুই কোনো সাধারণ ছেলে নস! তোর শরীরে ঘুমিয়ে আছে এক হারানো সাম্রাজ্যের শক্তি।”
লোকটি অদৃশ্য হয়ে গেল। আরিনের হাতে থাকা চাবিটি জ্বলে উঠল। দূরের বনে খুলে গেল এক বিশাল পাথরের দরজা।
দরজার ওপাশ থেকে ভেসে এল একটি কণ্ঠ—
“স্বাগতম, শেষ রাজপুত্র! হাজার বছরের অপেক্ষা আজ শেষ হলো!”
আরিন বুঝতে পারল, তার জীবনের সবচেয়ে বড় রহস্যের শুরু মাত্র।
চলবে...
আগামী পর্ব৷ চাইলে অবশ্যই পাশে থেকে সাহায্য করবেন আমি নতুন লেখক তাই সাহায্য ও সহযোগিতা করবেন
