নিষিদ্ধ মায়ার বাধন
লেখিকা : ফারহানা আক্তার
🌸 লেখকের কিছু কথা 🌸
আসসালামু আলাইকুম, প্রিয় পাঠক-পাঠিকারা।
আজ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে আমার নতুন উপন্যাস “নিষিদ্ধ মায়ার বাঁধন”।
এটি শুধু একটি প্রেমের গল্প নয়; এখানে থাকবে ভালোবাসা, অভিমান, পারিবারিক টানাপোড়েন, কিছু অজানা রহস্য এবং সময়ের কাছে হার মেনে নেওয়া কিছু অনুভূতি।
কিছু সম্পর্ক দূরত্বে হারিয়ে যায়, আবার কিছু সম্পর্ক সময়ের ব্যবধানে নতুন করে ফিরে আসে। এই গল্পেও থাকবে বিচ্ছেদ, অপেক্ষা এবং বহু বছর পর ভাগ্যের অদ্ভুত এক মিলন।
আমি জানি না, আমার লেখাগুলো আপনাদের কতটা ভালো লাগবে। তবে নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে গল্পটি আপনাদের সামনে তুলে ধরব।
গল্পের প্রতিটি চরিত্রকে আপনাদের ভালোবাসায় বাঁচিয়ে রাখবেন। ভুলত্রুটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
গল্পটি ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে পাশে থাকবেন।
ভালোবাসা ও শুভকামনায়,
একজন নতুন লেখিকা। ❤️
দীর্ঘ ১০ বছর পর দেশে ফিরছে চৌধুরী বাড়ির বড় ছেলে আরহাম চৌধুরী,এবং তার ভাই আয়ান চৌধুরী,এবং তার স্ত্রী আরিশা রহমান, এবং তাদের একটি মেয়ে আছে ৩ বছরের আয়শা চৌধুরী, তাদের রিসিভ করতে এয়ারপোর্টে যাচ্ছে চৌধুরী বাড়ির সবাই এবং আরিশা রহমান এর ফ্যামিলি।
একন চলুন পরিচয় জেনে নিই, চৌধুরী বাড়ির বড় ছেলে কামরুল চৌধুরী স্ত্রী নওশিন আক্তার এবং বড় ছেলে আরহাম চৌধুরী বয়স ৩১,গায়ের রং শ্যামবর্ণের উচ্চতা ৬:২, জিম করা পিটানো শরীর সে একজন ডক্টর এবং পাশাপাশি Uk টপ বিজনেস ম্যানদের মধ্যে একজন এবং খুব রাগি জেদি, গম্ভীর মানুষ চৌধুরী বাড়ির কেউ তার সিদ্ধান্তে না করতে পারে কারন সে যে রকম জেদি টিক ততোটাই দায়িত্বশীল এবং সবার সবদিক খেয়াল রাখে এবং মেজো ছেলে আয়ান চৌধুরী বয়স ২৯,দেখতে পুরো বিদেশিদের মতো, লন্ডনে বড় ভাইয়ের কোম্পানি দেখাশুনা করে, সে খুব শান্ত এবং নরম সভাবের মানুষ বড় ভাইয়ের উল্টো ভার্সন এবং কেয়ারিং মানুষ ও এবং ছোট ছেলে জায়ান চৌধুরী বয়স ২৫, মাস্টার্স এ রানিং স্টুডেন্ট, দেখতে ও হ্যান্ডসাম সে খুব ফানি একজন মানুষ এবং খুব ভালো মনের এবং তাদের একটা বোন আছে তুবা চৌধুরী বয়স ১৯ সে খুব চঞ্চল এবং দুষ্টুমিতে সবার আগে ইন্টার 2nd ইয়ারে পড়া লেখা করে।
চৌধুরী বাড়ির ছোট ছেলে কাদির চৌধুরী স্ত্রী সুমি আক্তার, তাদের ২ সন্তান বড় ছেলে লেফটেন্যান্ট আহিয়ান চৌধুরী, বয়স ২৯ দেখতে হ্যান্ডসাম ও ড্যাসিং মেয়ে আরিয়া চৌধুরী বয়স ১৯ইন্টার 2nd ইয়ারে পড়াশোনা করে।
এবং চৌধুরী বাড়ির এক মেয়ে সে কানাডায় থাকে। মারুফা চৌধুরী, স্বামী রায়হান হাসান, এক মেয়ে নুসরাত হাসান,স্বামী সাইদ আহমেদ কানাডিয়ান বিজনেসম্যান।
অন্যদিকে আরিশা রহমান ছোট থেকেি নানা বাড়িতে বড় হয়েছে তার মা-খালা আর মামারা ৪ জন।
বড় মামা আরশান মির্জা এবং স্ত্রী সেলিনা তালুকদার, তাদের দুই মেয়ে এক ছেলে, বড় মেয়ে মেহরিন মির্জা, বয়স ১৯ বছর ইন্টার 2nd ইয়ারের স্টুডেন্ট, দেখতে খুব সুন্দর চোখ দুটি টানাটানা ফেইস মায়াবি কোমর পর্যন্ত চুল স্টেইট করানো হাইট ৫:৪ খুব সাদামাটা থাকতে পছন্দ করে। ছোট মেয়ে মাহিরা মির্জা বয়স ১৬ বছর ক্লাস ১০ এ পড়াশোনা করে সে দেখতে ও সুন্দর হাই ৫:৪, এক ছেলে মারজান মির্জা বয়স ১২ ক্লাস ৭ এ পড়াশোনা করে।
ছোট মামা রাফসান মির্জা স্ত্রী তান্নী তালুকদার ৬ মাস হলে বিয়ে হয়েছে কোনো সন্তান নেই।
আরিশা রহমান এর বাবা কবির রহমান, মা রোজিনা তালুকদার, বাবা ছোট বেলায় এক্সিডেন্ট মারা গিয়েছে এর পর থেকেই নানা বাড়িতে বড় হওয়া রোজিনা তালুকদারের এক মেয়ে আরিশা রহমান।
ছোট খালা রোকাইয়া তালুকদার, স্বামী জাহেদ খান, তার এক ছেলে আদ্রিয়ান তালুকদার তারা সবাই ইউএস এ থাকে।
এখানে আমাদের নায়িকা মেহরিন মির্জা আরিশা রহমান এর খুব ক্লোজ এন্ড তাদের দুজনের বন্ডিং ও খুব ভালো। এয়ারপোর্টে সবাই অপেক্ষা করছে কখন বাহিরে আসবে সবাই। এর মধ্যে মেহরিন, তুবা,আরিয়া সবাই আইসক্রিম খেতে গিয়েছে। আইসক্রিম নিয়ে এসে দেখলো এয়ারপোর্টে বাহিরে আসছে আরহাম, আরিশা, আয়ান, আয়েশা। সবার সাথে কথা বলছে এদিকে আরহাম কথা বলেছে আর মেহরিন এর দিকে মুগ্ধ নয়নে চেয়ে আছে এখানে বলে রাখি মেহরিনকে দীর্ঘ ৪ বছর আরহাম ভালোবাসে মেহরিন জানে না এই বিষয়ে, আয়ান আরিশা সব জানে আরিশা আর আরহামের বন্ডিং ভাই-বোন বল্লে ও কম হবে আরহামের মাধ্যমে আয়ানের সাথে পরিচয় পরে তারা দুজন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে যায় ৫ বছর আগেই আরিশা আয়ান দুজনেই ইউকে যাওয়ার পর।
আরিশা আর আয়ান আরহামের কাছে গিয়ে মজা করে বললো
ভাই এভাবে চেয়ে থাকলে আমার বোনের নজর লেগে যাবে।
আরহাম: আরে সেটা নিয়ে তোদের ভাবতে হবে না। আমার জিনিস আমি বুঝে নিবো।
আরিশা: বাবাহ,আমার জিনিস হয়ে গেলো আমারা টেরই পেলাম, আহারে আমার ভাই বড় অভিনয় জানে রেহ 😜
আয়ান:ভাই এভাবে তাকাইয়ো না পরে কিন্তু আমারে শালীকে তোমার সাথে বিয়ে দেবো না।
আরহাম : শালী আর বোন এখন তোদের নেই সে ৪ বছর আগেই আমার হয়ে গেছে এখন আর মরার আগ পর্যন্ত আমার। কেউ যদি ওর দিকে তাকায় সেই চোখ আমি তুলে ওর পায়ের কাছে রাখবো।
এখন চল আগে বাসায় যাই। এদিকে মেহরিন যখন দেখলো আরহাম তার দিকে তাকিয়ে আছে। আয়েশাকে নিয়ে তুবার আর আরিয়ার কাছে গিয়ে বললো
কিরে ওউ পাডা আবার কোন খেতের মুলা আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছে কেনো আমার তো ওর পাডার মতে শরীর দেখেই ভয় করছে,এখন এভাবে তাকালে আমারে নিয়া হসপিটালে যাওয়া লাগবে।
তুবা : মেহরিনের বাচ্চা আমার ভাইকে পাডা বলিস বলে মেহরিনের পিঠে খুব জোরে কিল বসালো।
আরিয়া : দেখ মেহরিন আমার ভাইয়ের বিষয় উল্টো পাল্টা কথা বলবি না আমার ভাই দেখতে কি হ্যান্ডসাম দেখ আর একটাও পাইবি বাংলাদেশে।
মেহরিন : কচু তোর ভাই হ্যান্ডসাম, দেখতে একদম পাডার মতো এর দিকে তাকাইলে ভয়ে আমার গলা শুকিয়ে যায়।
মেহরিন তুবা আরিয়া তিনজন খিলখিল করে হাসি শুরু করে দিল। এর পর সবাই বাসায় আসলো আরিশার পরিবারের সবাই বিদায় নিয়ে চলে গেল ঘন্টা খানেক পর মেহরিন এই বাসায় থাকবে যতদিন আরিশা আছে দেশে । আয়েশা তো মেহরিনের কোল থেকে কারো কোলে যাচ্চেই না।
