💕 পর্ব ১: তাবাস্সুমের পরিবার
তাবাস্সুম বাবা-মায়ের একমাত্র মেয়ে। তার বাবা আব্দুল করিম, মা নাসরিন বেগম আর বড় ভাই তামিম। তামিম বোনকে খুব ভালোবাসে, তবে সব সময় বোনের সঙ্গে মজা করে।
সকালে তাবাস্সুম রান্নাঘরে মাকে সাহায্য করছিল।
মা বললেন, “তাবাস্সুম, তোর বাবা বলছিলেন, তোর জন্য একটা ভালো সম্বন্ধ এসেছে।”
তাবাস্সুমের হাত থেমে গেল।
“কার সম্বন্ধ, মা?”
মা হেসে বললেন, “তোরই তো! আর কার?”
তাবাস্সুম লজ্জা পেয়ে বলল, “মা, আবার শুরু করলে!”
পাশ থেকে তামিম বলে উঠল, “আমার বোনের বিয়ে হবে, আর আমি বরকে আগে জেরা করব!”
তাবাস্সুম একটা বালিশ তুলে ভাইয়ের দিকে ছুড়ে মারল।“ভাইয়া! তোমাকে কে বলেছে আমার বিয়ে হচ্ছে?”
তামিম হেসে বলল, “বিয়ের কথা শুনেই তো তোর মুখ লাল হয়ে গেছে!”
সবাই হেসে উঠল। কিন্তু তাবাস্সুমের মনে তখন একটাই প্রশ্ন—যদি সেই ছেলেটা তিহান হয়?
কারণ তিহানের কথা সে কাউকে কখনো বলেনি।
💙 পর্ব ২: তিহানের পরিবার
তিহানদের পরিবারও বেশ বড়।
তার বাবা মাহমুদ সাহেব, মা শায়লা বেগম, বড় বোন তানিয়া আর ছোট ভাই তূর্য।
তিহান পরিবারের বড় ছেলে। বাবা চান, ছেলে নিজের ব্যবসার দায়িত্ব নিক। মা চান, ছেলের বিয়ে দিয়ে সংসারী করতে।
একদিন রাতের খাবারের টেবিলে শায়লা বেগম বললেন, “তিহান, একটা কথা বলব?”, “তিহান, একটা কথা বলব?”
তিহান খাবার খেতে খেতে বলল, “বলো, মা।”
“তোর বিয়ের কথা ভাবছি।”
তূর্য সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠল, “বাহ! ভাইয়ার বিয়ে! ভাবি এলে আমি আর ভাইয়াকে বিরক্ত করব না!”
তানিয়া হেসে বলল, “তুই আবার ভাইকে বিরক্ত করিস না? সারাদিন তো ভাইয়ের পেছনেই ঘুরিস!”
তিহান বিরক্তির ভান করে বলল, “তোমরা খাওয়া শেষ করবে, নাকি আমার বিয়ে এখানেই দিয়ে দেবে?”
মাহমুদ সাহেব গম্ভীরভাবে বললেন, “আমরা চাই, তুই নিজের পছন্দ থাকলে আমাদের জানাস।”
তিহান চুপ হয়ে গেল।
তার চোখের সামনে ভেসে উঠল একটি মুখ।
