গল্প : আমার একমুঠো সুখ
লিখিকা : মারুফ
পর্ব : ১
আমি কিছুতেই ওই মেয়েটাকে বিয়ে করতে পারব না বাবা। আমি একটা মেয়েকে ভালোবাসি, সেইটা আর কতবার বলবো তোমাদের? একই কথা প্রতি বছর বলেই যাচ্ছো তুমি। প্লিজ, এবার এসব বন্ধ করো।
রাগী গলায় কথাটা বলে থামলো এক যুবক। ফোনের অপর পাশ থেকে ওর বাবা মানহাস চৌধুরী বলে উঠলেন, "তুমি শুধু শুধুই চ্যাঁচামেচি করছো আয়াজ, তোমাকে সে কবে থেকেই বলে যাচ্ছি, একটা বার মেয়ের ছবি তো দেখো! সেই কোন ছোটবেলায় তুমি ওকে দেখেছো, তারপর তো ওরা দেশের বাইরেই চলে গেল। তোমাকে কতদিন ধরে বলছি, ওর সাথে একটাবার মিট করতে। যেহেতু একই দেশে থাকছো তোমরা, তাই একটা বার দেখাই করতেই পারো। কিন্তু তুমি নিজের ইচ্ছেটাকেই উপরে রেখেছো। তবে একটা কথা কান খুলে শুনে রাখো, আগামী মাসে তোমার জেঠুরা সবাই দেশে আসবে, তোমাকেও আসতে হবে, বিয়ে হবে তোমাদের! এন্ড এটাই আমার ফাইনাল ডিসিশন।"
কিন্তু বাবা, কোনো কিন্তু না। তুমি যেমন চেয়েছ তেমনটাই হয়েছে। বাইরে গিয়ে পড়াশোনা করবে বলেছিলে, তোমাকে বাইরেও পাঠিয়েছি। সেখানে বিজনেস স্টার্ট করতে চেয়েছিলে, সেটার পারমিশনও দিয়েছি। সব আবদার রেখেছি তোমার। এবার তোমাকেও আমার কথা শুনতে হবে।
কথাটা বলেই ফোন কেটে দিলেন মানহাস চৌধুরী। বিরক্ত ভঙ্গিতে সোফায় হ্যালান দিয়ে বসলেন। পাশেই ওনার স্ত্রী নাসরিন চৌধুরী ওনার মুখপানে চেয়ে আছেন। স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে তিনি বলে উঠলেন, "নাসরিন, চিন্তা করছো কেন এত? এবার আয়াজকে আমাদের কথা শুনতেই হবে। তারপরেও যদি দেশে না আসে, তাহলে আমি গিয়ে ওকে ওখান থেকে হিরহির করে টেনে নিয়ে আসবো। কথাটা মাথায় রেখো।"
নাসরিন চৌধুরী বলে উঠলেন, "আমার দিকে এভাবে তাকাচ্ছো কেন? কথাগুলো এমনভাবে আমাকে বলছো, যেন আমি দেশের বাইরে আর আমি ওখান থেকে ফিরতে চাচ্ছি না। অদ্ভুত!"
কথাটুকু বলেই বিরক্ত হয়ে তিনি চলে গেলেন। মানহাস চৌধুরী হাঁক ছেড়ে ডাকলেন, "নাসরিন, একটা কাপ চা দিও তো আমাকে! মাথাটা ভীষণ ধরে আছে আমার।"
ক্যালিফোর্নিয়ার নামকরা একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি। ইউনিভার্সিটির বাইরে দাঁড়িয়ে আছে একটা মেয়ে—পরনে জিন্স আর কমলা রঙের কুর্তি, গলায় স্কার্ফ পেঁচানো, চুলগুলো সুন্দর করে বাঁধা, গোলগাল চেহারাটা ভীষণ মায়াবী। প্রথম দেখাতে যে কেউ প্রেমে পড়তে বাধ্য। চেহারায় বিরক্তির ছাপ স্পষ্ট মেয়েটার। বিরক্তির কারণ অবশ্য তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটা, কিন্তু সেই মানুষটার চেহারায় নির্লিপ্ত ভাব—এই যে এতক্ষণ ধরে পথ আটকে দাঁড়িয়ে আছে আর সে বিরক্ত হচ্ছে, অথচ সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটার মাঝে বিন্দু মাত্র বিরক্তি কিংবা রাগ দেখা যাচ্ছে না, বরং সে মেয়েটার দিকে মুগ্ধতা ভরা দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।
ভার্সিটি থেকে ক্লাস শেষ করে বেরোতেই মেয়েটির সামনে পথ আটকে দাঁড়ায়। ধৈর্যের সীমা অতিক্রম করে এক প্রকার বিরক্তির স্বরে মেয়েটিকে বলে উঠল, "আপনি কি সরবেন সামনে থেকে, নাকি আমি লোকজন ডেকে জড়ো করবো মিস্টার তানভীর?"
মেয়েটার এমন ঝাঁজালো সরের কথায় বিন্দু মাত্র পার্থক্য দেখা গেল না তার চেহারায়। ৩০ বছর বয়সী যুবকটি এক দৃষ্টিতে মেয়েটির মুখপানে তাকিয়ে আছে। ফরমাল গেটআপের লোকটার চেহারার দিকে একবার তাকিয়ে মেয়েটা ফের বলে উঠল, "আমার ধৈর্যের সীমানা ছাড়িয়ে যাচ্ছে মিস্টার তানভীর, আমি আর কতবার বলব আমি আপনাকে ভালোবাসি না। শুধু শুধু এভাবে এসে আমাকে বিরক্ত করবেন না।"
মেয়েটার কথা শুনে যুবকটা বিরক্ত হলো এবার।
আজকে আমি তোমাদেরকে সবচেয়ে বিশ্বস্ত বুকমেকার ওয়ানএক্স সম্পর্কে বলতে চাই, যেটি পিজিডি এবং সিরিয়ার অফিসিয়াল পার্টনার। ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হয়ে গিয়েছে, এটি হতে পারে সবচেয়ে বড় সুযোগ আপনার প্রিয় দলকে সমর্থন করেন। এই অ্যাপে আপনি ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস লাইভ ম্যাচ দেখতে এবং তাদের স্কোর ভবিষ্যদ্বাণী করে সহজেই অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। সেই সাথে বিএমডব্লিউ গাড়ি, আইফোন, ল্যাপটপ এবং আরও অনেক নগদ পুরস্কার জেতার সুযোগ রয়েছে।
এই অ্যাপটিতে আপনি ক্র্যাশ, ক্রিস্টাল, আন্ডার অ্যান্ড ওভার ২১ ইত্যাদি গেম খেলে সহজেই আয় করতে পারবেন। সাইনআপ করার সময় আমার প্রচার কোড ONEMARU ব্যবহার করে আপনার প্রথম জমাতে ২৪,০০০ টাকা পর্যন্ত পান। আপনি বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়, ব্যাংক, ক্রিপ্টো, পেপাল এবং অন্যান্য সহজ পদ্ধতির মাধ্যমে সহজেই আপনার জেতা টাকা তুলতে পারবেন।
এখানে আপনি ২৪ ঘণ্টা ৭ দিন গ্রাহক সহায়তা পাবেন। তাই গুগলে ওয়ানএক্স সার্চ করে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন আর রেজিস্ট্রেশনের সময় অবশ্যই আমার প্রচার কোড ONEMARU ব্যবহার করে প্রথম ডিপোজিটে ২৪,০০০ টাকা পর্যন্ত পান।
বিরক্তিসূচক একটা শব্দ অটোমেটিক বের হলো মুখ দিয়ে। একটু আগে বাবার কথাগুলো শুনে মাথা গরম হয়ে গিয়েছিল, এজন্যই মাথাটা ঠান্ডা করতে এসেছিল ভার্সিটির সামনে একটাবার মেয়েটাকে দেখবে বলে।
কিন্তু মেয়েটা প্যান্টের পকেটে দু হাত গুজে সোজা হয়ে দাঁড়াল আয়াজ। কিন্তু মেয়েটা প্যান্টের পকেটে দু হাত গুজে সোজা হয়ে দাঁড়ালেও আয়াজ শান্ত দৃষ্টিতে মেয়েটার মুখপানে চেয়ে বলে উঠল, "সমস্যা কী আপনার শুভ্রতা? আপনি নাই ভালোবাসলেন আমায়, আমায় তো বাঁচতে দিন, দেখতে দিন আপনাকে।"
সঙ্গে সঙ্গেই শুভ্রতার মাথায় রাগ চড়ে গেল। খানিকটা চেচিয়ে বলে উঠল, "ভীষণ অসভ্য লোক তো আপনি! একটা মেয়ে ভালোবাসে না আপনাকে। দিনের পর দিন আপনাকে ইগনোর করেই যাচ্ছে, আর আপনি সেই মেয়েটার পেছনে এখনো পড়ে আছেন? কেন ভালোবাসেন আমায়? ভালোবাসতে তো কোনো কারণ লাগে না শুভ্রতা।
আপনাকে আমি আজ একদিন দুদিন নয়, গত দুটো বছর ধরে ভালোবাসি। সেটা তো আমিও জানি, এই দুটো বছর ধরে আমার জীবনটাকে শেষ করে দিচ্ছেন আপনি।"
শুভ্রতার কথায় বিন্দুমাত্র চেহারার এক্সপ্রেশন পাল্টালো না আয়াজের। উল্টো কণ্ঠে দ্বিগুণ মুগ্ধতা নিয়ে বলল, "আপনি জানেন, আপনার এই রাগী কণ্ঠ শুনতে কতটা ভালো লাগে আমার! রাগ করলে ভীষণ সুন্দর লাগে আপনাকে। আপনার এই সব আজেবাজে কথা শোনার একটুও ইচ্ছে নেই আমার। আমার পিছু ছেড়ে দিন তানভীর।"
কথাটা বলেই আয়াজকে ধাক্কা দিয়ে গডগড করে হেঁটে চলে গেল শুভ্রতা। ওর যাওয়ার পানে মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে হাসলো আয়াজ। খানিকটা হেঁটে গিয়ে গাড়িতে বসে স্টার্ট দিতে দিতে আপন মনেই বলে উঠল, "যত খুশি ইগনোর করুন, যত খুশি এড়িয়ে যান, ভালো তো আমি আপনাকেই বাসবো শুভ্রতা। আপনার পিছু ছাড়া যে আমার পক্ষে সম্ভব নয়।"
বাড়ির সামনে এসে কলিং বেল বাজাতে লাগল শুভ্রতা। দারোয়ান লোকটা এসে গেট খুলে দিতেই গডগড করে হেঁটে চলে গেল বাড়ির ভেতরে। আজ মেজাজটা ভীষণ গরম হয়ে আছে ওর। বাড়িতে ঢুকেই শুভ্রতা হাঁক ছাড়ল, "বাবা! ও বাবা! মা, কোথায় তোমরা? দ্রুত দেশে ব্যাক করার ব্যবস্থা করো তো। আমি আর এখানে এক মুহূর্তও থাকতে চাই না।"
ভেতরের রুম থেকে বেরিয়ে এলেন আরিস চৌধুরী। শুভ্রতা ততক্ষণে বসে পড়েছে লিভিং রুমের সোফায়। আরিস চৌধুরী এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলেন, "কী ব্যাপার? টেম্পারেচার এত গরম কেন? তোমার এক্সাম আগামী কাল শুরু হবে, এক্সাম শেষ হলেই তো আমরা দেশে ফিরব।"
"হুম, সেটাই করো। আমার আর এসব ভালো লাগছে না। দেশে ফিরে আয়াজ ভাইয়ের সাথে বিয়ের ব্যবস্থা করবে দ্রুত।"
ভেতরের রুম থেকে শুভ্রতার মা ফারহানা চৌধুরী বেরিয়ে এসে বললেন, "বাব্বা! সূর্য কোন দিকে উঠল আজ? সবসময় বিয়ের কথা শুনলে যে মেয়ে কোনো সাড়া-শব্দও করে না, সেই মেয়ে নিজে আজ আয়াজের নাম মুখে আনছে, আবার বিয়ের কথাও বলছে।"
শুভ্রতা খানিকটা রেগে গিয়ে বলল, "আরে অদ্ভুত তো! আমি কি কখনো আয়াজ ভাইয়ের সঙ্গে বিয়ের ব্যাপারে অমত করেছি নাকি? আমি তো আপনাদের সিদ্ধান্তে রাজি, আমি ওনাকেই বিয়ে করব।"
আলিনা একটা ট্রেতে করে খাবার নিয়ে ওর রুমে প্রবেশ করতে করতেই বলে উঠল, "তাহলে আয়াজের ছবি দেখতে চাও না কেন? সবসময়ই তো এড়িয়েই যাও।"
শুভ্রতা ট্রে থেকে চায়ের কাপটা তুলে নিয়ে বলল, "ভাবী, উনি নিজেও তো একই দেশে থাকা সত্ত্বেও আমার সঙ্গে দেখা করতে চাইছে না। সেইজন্য আমি ঠিক করেছি দেশে ফিরে একেবারে ওনাকে দেখব।"
আরিস চৌধুরী আর ফারহানা চৌধুরী শুভ্রতাকে ফ্রেস হয়ে রেস্ট নিতে বলে চলে গেলেন। আলিনা শুভ্রতার পাশে বসে বলে উঠল, "কী ব্যাপার বলতো ননদিনী, কী হয়েছে?"
শুভ্রতা চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে বলে উঠল, "একটা ছেলে আমায় প্রচুর ডিস্টার্ব করে, ভালোবাসে। কিন্তু আমি ওই ছেলেটাকে ভালোবাসি না ভাবী, তাই চাচ্ছি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দেশে ফিরে আয়াজ ভাইকে বিয়ে করতে। তাছাড়া আমার নিজেরও অ্যারেঞ্জ ম্যারেজের ইচ্ছা ছিল। প্রেমের বিয়ে পছন্দ নয় আমার, তাই ঠিক করেছি দেশে ফিরে ওনাকেই দেখব।"
আলিনা মুচকি হেসে বলল, "বুঝলাম।"
চা শেষ করে শুভ্রতা আলিনাকে জড়িয়ে ধরে বলল, "চাটা বেশ ভালো বানাও তুমি, সবসময় আমার জন্য তুমি চা বানিয়ে দেবে, ঠিক আছে?"
আলিনা শুভ্রতার মাথার চুলগুলো এলোমেলো করে দিয়ে বলল, "অবশ্যই! একমাত্র ননদের জন্য প্রতিবেলায় চা করে দেওয়ার কোনো ব্যাপার নাকি! সবচেয়ে মজার ব্যাপার কি জানো, আমিও চা খেতে খেতে তোমার মতোই চা-খোর হয়ে যাচ্ছি শুভ্রতা। দিনে কয়েক কাপ চা না খেলে এখন আর চলেই না।"
শুভ্রতা হেসে বলল, "ভালোই তো! কিন্তু ভাইয়া যেন না জানে।"
সিঁড়ি দিয়ে ফরমাল গেটে নামতে নামতে একজন গম্ভীর গলায় বলল, "আমাকে না জানিয়ে কী করা হচ্ছে?"
শুভ্রতা উঠে দাঁড়িয়ে বলল, "তেমন কিছুই না ভাইয়া, আমি শুধু বলছিলাম দেশে ব্যাক করার কথা।"
আলিনা এগিয়ে গিয়ে বলল, "কোথায় যাচ্ছো সাদাব?"
সাদা বেরিয়ে যেতে যেতেই জবাব দিল, "একটু কাজ আছে, আসছি আমি।"
আলিনা দরজা পর্যন্ত এগিয়ে গিয়ে বলল, "আল্লাহ হাফেজ, সাবধানে যেও।"
শুভ্রতার রুমে এসে ফ্রেস হলো। জামাকাপড় পাল্টে বিছানায় শরীর এলিয়ে দিয়ে ভাবতে লাগল আয়াজের কথা—ওর অনেকদিনের স্বপ্ন, যাকে বিয়ে করবে তাকে সপ্ন দিয়ে ভালোবাসবে। বিয়ের আগে এসব প্রেম-ভালোবাসা মোটেও পছন্দ নয় শুভ্রতার। তাই তো এতদিন সমস্ত প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে এসেছে। এসব মনে হতেই হঠাৎ তানভীরের কথা মনে পড়ে গেল।
ছেলেটা যদিও আট-দশটা ছেলের মতো ওকে ইভটিজিং করে না, কিংবা বাজে কোনো মন্তব্য করে না, তবুও তাকে ভালো লাগে না শুভ্রতার। ছেলেটা ওকে দু বছর যাবত ভালোবাসে, সবসময় সামনে না এলেও দূর থেকে ওকে দেখে। যে জিনিসটা মোটেও পছন্দ নয় শুভ্রতার। তানভীরের কথা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে উঠে পড়ল শুভ্রতা।
এই ছেলেকে নিয়ে কিছুতেই ভাবতে চায় না সে। রুম থেকে বেরিয়ে পাশের ছোট রুমটাতে গেল শুভ্রতা। এই রুমটাকে এক প্রকার লাইব্রেরি বলা চলে। শুভ্রতা বই পড়তে ভীষণ ভালোবাসে। বই কিনে কিনে এখানটায় একটা ছোটখাটো লাইব্রেরি বানিয়ে ফেলেছে। রুমের বাদিকের বড় বুকশেলফটা থেকে ওদের পারিবারিক অ্যালবামটা নামিয়ে আনল। অতঃপর রুমে এসে বিছানায় বসে ছবিগুলো দেখতে লাগল।
ওর বাবা আর চাচা—দুই পরিবারের একসঙ্গে ছবি। বাবার কোলে শুভ্রতা, তখন ওর বয়স দুই বছর। একপাশে ওর বড় ভাই সাদাব আর শুভ্রতার পাশেই দাঁড়ানো ছয়-সাত বছর বয়সী একটা ছেলে। ছেলেটা হাসিমুখে ছোট শুভ্রতার দিকে তাকিয়ে আছে। ছেলেটার ছবির উপর হাত রেখেই শুভ্রতা মুচকি হাসল। বিড়বিড় করে বলল, "আপনার সঙ্গে খুব শীঘ্রই দেখা হচ্ছে।"
চলবে...!
